ক্যারিবীয় দ্বীপের বার্বাডোজ তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেই লিখেছে ইতিহাস। কমনওয়েলথ গেমসের ক্রিকেটে এজবাস্টনে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামে বার্বাডোজ। প্রথম ম্যাচে খেলতে নেমেই তারা প্রমাণ করেছে, অংশগ্রহণের জন্যই কেবল মাঠে নামেনি তারা। অভিষেকেই পাকিস্তানের নারীদের হারিয়ে বিশ্ববাসীকে নিজেদের আগমনী বার্তা দিলো বার্বাডোজ। এজবাস্টনে হওয়া ম্যাচটিতে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান করে তারা। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১২৯ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান।

যে দলে খেলেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী দলটির ছয় ক্রিকেটার। মূলত বার্বাডোজের শক্তিটা এখানেই। তাই অবাক হবারও কিছু নেই যে আইসিসি’র পূর্ণ-সদস্য পাকিস্তানকে হারিয়ে দেওয়াতে।

এজবাস্টনে পাকিস্তানের কাছে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রান তোলে বার্বাডোজ। ওপেনার দেন্দ্রা ডটিন ৮ (৫) রান করে ফিরলেও কাইসা নাইট ও হেলে ম্যাথুস মিলে ১০৭ রানের জুটি বাঁধেন। দুজনেই তুলে নেন অর্ধশতক।

ম্যাথুসকে ৫১ (৫০) রানে ফেরান ফাতিমা সানা। কাইট ৬২ (৫৬) রানে থেকে যান অপরাজিত। পাকিস্তানের পক্ষে ২ উইকেট নেন ফাতিমা, ১ উইকেট নেন দিয়ানা বাইগ।

বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই খেই হারায় পাকিস্তান। ওপেনার ইরাম জাভেদ ফেরেন ০ রানে। আরেক ওপেনার মুনিবা আলী ফেরেন ১৭ রান করে। ওমাইমা সোহালি করেন ১০ রান।

পাক অধিনায়ক বিসমাহ মারুফ ২৮ বলে ১২ রান করে ফেরেন সাজঘরে। এরপর অবশ্য নিদা দারের অপরাজিত ৫০ (৩১) ও আলিয়াজ নাসিমের (১৪) ৬৯ রানের জুটিতে কিছুদূর এগুলেও ৬ উইকেটে ১২৯ রানে শেষ হওয়ায় ১৫ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।

বার্বাডোজের পক্ষে ১টি করে উইকেট নেন সামিলিয়া কনেল। আলিয়াহ অ্যালেন, হেলে ম্যাথুস ও দেন্দ্রা ডটিন।