২০৫ রানে এগিয়ে থেকে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে  বাংলাদেশ। ৩ উইকেট হারিয়ে ২১২ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় দিন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনে ১২৬ রান যোগ করতেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে নিউজল্যান্ডকে ৩৩২ রানের টার্গেট দিয়েছে টাইগাররা।  দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছে নিউজিল্যান্ড।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের ৩১০ রানের জবাবে ৩১৭ রান করে সফরকারীরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩৮ রান করেছে বাংলাদেশ।

৩৩২ রান করে এর আগে কখনো টেস্ট জেতেনি নিউজিল্যান্ড। ১৯৯৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩২৪ রান করে জেতে তারা, সেটিই এখনও তাদের সর্বোচ্চ রান তাড়া। বাংলাদেশকে ২০০৮ সালে চট্টগ্রামে ৩ উইকেটে হারায় ৩১৭ রান করে, সেটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

তৃতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ২১২ রান করেছিল লাল-সবুজেরা। এদিন ৭ উইকেট হাতে রেখে ২০৫ রানে এগিয়ে ছিল টাইগাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৪ ও মুশফিকুর রহিম ৪৩ রানে অপরাজিত ছিলেন।

তবে আগের দিনের মতো এদিন বেশি দূর এগোতে পারেননি অবিচ্ছিন্ন মুশফিক-শান্ত জুটি। চতুর্থ দিনে নিউজিল্যান্ডের পেসার টিম সাউদির বলে ব্যক্তিগত ১০৫ রানে আউট হন শান্ত। লেগ-স্টাম্পের বাইরের শর্ট বলে উইকেটেরর পেছনে ক্যাচ দেন শান্ত। ১৯৮ বল মোকাবিলায় ১০ বাউন্ডারি হাঁকান তিনি।

শান্ত ফেরার পর ব্যাট হাতে নেমে দ্রুতই মানিয়ে নেন অভিষিক্ত দিপু। ইশ সোধির ওভারে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আক্রমণাত্মক ইনিংসের ইঙ্গিত দেন তিনি। তবে ইনিংস লম্বা করতে পারেননি এই ব্যাটার। সাজঘরে ফেরেন ১৮ রান করে।

টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৭ চারে ৬৭ রানে থামেন মুশফিকও। ৮৫তম ওভারে অ্যাজাজ প্যাটেলের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন মুশি। অন্যদিকে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান ১০ রানে আউট হন।

সোহানের পর নাঈমকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মিরাজ। এতে ৩ উইকেট হাতে নিয়ে ৩০১ রানে এগিয়ে চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। ৭ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন-বিরতি পর্যন্ত ৭ উইকেটে ৩০৮ রান করে। তবে লাঞ্চ থেকে ফিরে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি নাঈম।

এরপর ব্যাট করতে নেমে ডাক খেয়েছেন তাইজুল। শেষ উইকেট জুটিতে শরিফুলকে সঙ্গে নিয়ে ২৬ রান যোগ করেন মিরাজ। তবে ব্যক্তিগত ১০ রানে শরিফুল ফিরলে ৩৩৮ রানেই গুটিয়ে যায় টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত ৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন মিরাজ।