জেমস ক্যামেরন পরিচালিত বৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনিভিত্তিক চলচ্চিত্রটি নিউজিল্যান্ডভিত্তিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট স্টুডিও ‘ওয়েটা ডিজিটাল’-এ নির্মিত হয়েছে। চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০০৯ সালে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর আগামী ডিসেম্বর মাসে মুক্তি পেতে যাচ্ছে অ্যাভাটার সিরিজের দ্বিতীয় ছবি ‘অ্যাভাটার : দ্য ওয়ে অফ ওয়াটার’। সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে সিনেমাটির টিজার।

১ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের এ টিজারে চমক দিয়েছেন পরিচালক। দেখা মিলেছে সেই জেক, নেয়তিরি ও তাদের সংসার। সাগর ড্রাগন দেখতে কেমন তাও দেখিয়েছেন এই নির্মাতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে টিজারটি ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। টিজারটি দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা। অ্যাভাটারের ভেরিফাইড ফেসবুকে ট্রিজার প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে যায়।

অ্যাভাটার সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তির নাম অ্যাভাটার : দ্য ওয়ে অব ওয়াটার। সিনেমাটি মুক্তি দেওয়া হবে ১৪ ডিসেম্বর, আর ১৬ ডিসেম্বর থেকে সিনেমাটি চলবে উত্তর আমেরিকায়। এর আগে ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানটি হয় লাস ভেগাসের সিনেমাকন থিয়েটারে। এতে উপস্থিত ছিলেন প্রযোজক জন ল্যান্ডউ।

অস্কার বিজয়ী প্রযোজক জন বলেন, ‘জেমস ক্যামেরনের স্ক্রিপ্টগুলো সব সময় সার্বজনীন। চারটি সিক্যুয়ালের প্রতিটির কেন্দ্রে থাকবে সুলি পরিবার। প্রতিটি গল্প হলে আলাদা আলাদা এবং সবগুলোর শেষটাও হবে ভিন্ন। প্রতিটি ফিল্মের জন্য একটি পরিপূর্ণ রেজোলিউশন থাকবে। আবার চারটি মিলে তৈরি হবে একটি বৃহত্তর মহাকাব্যিক কাহিনি।’

জেমস ক্যামেরন বলেন, ‘চলচ্চিত্রটির শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। আমাদের ভিজ্যুয়াল এফেক্টগুলো খুবই উচ্চ পর্যায়ের।’

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ‘মার্ভেল’স অ্যাভেঞ্জার্স: অ্যান্ডগেম’ এসে সিংহাসনচ্যুত করে অ্যাভাটারকে। কিন্তু সেই তকমা আবার ফিরে পায় অ্যাভাটার। দুটি চলচ্চিত্রের স্বত্বাধিকার ওয়াল্ট ডিজনি। সর্বোচ্চ আয়ের তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা আরেক সিনেমা টাইটানিকও এই একই প্রতিষ্ঠানের।

অ্যাভাটারের পটভূমি একদল লোভী মানুষ আর নিরীহ প্যানডোরাবাসির মধ্যে এক অসম কিন্তু সাহসি যুদ্ধ নিয়ে। কাহিনির সূত্রপাত ২১৫৪ সালে, যখন আর.ডি.এ আনঅবটেনিয়ামের খোঁজে প্যানডোরা নামক পৃথিবীর মতো এক গ্রহে গিয়ে মানুষ হাজির হয়। যার আবহাওয়া মানুষের নিশ্বাস উপযোগী নয়।

এই গ্রহের অধিবাসীদের বলা হয় নাভি। নাভিরা তাদের গ্রহে খুব আনন্দেই বসবাস করছিল যতদিন পর্যন্ত না মানুষের অসাধু ইচ্ছা প্রকাশিত না হয়। নাভিদের পরিবেশ সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য বিজ্ঞানীরা নাভিদের মতো দেখতে কিছু দেহ তৈরি করলেন, যা কি না যন্ত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।