বিএনপি এখন লাশ ফেলার দুষ্টচক্রে আবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ (শনিবার) রাজধানীর খামারবাডি কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে সন্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। এসময় বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে ফাইনাল খেলায় ফয়সালা হবে, কে হারে আর কে জিতে।

রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক সম্মেলন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় তিনি বলেন, বিএনপি সত্যের মুখোমুখি হতে ভয় পায়। তাদের হাতে রক্তের দাগ। দলটি লাশ ফেলার দুষ্টচক্রে ঢুকে গেছে বলে মন্তব্য করেন ওয়ায়দুল কাদের।

ছাত্রলীগকে সময়ের ব্যাপারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে মিটিং ১০টায়, সেই মিটিংয়ের প্রধান অতিথি যদি দেড়টায় বক্তৃতা করতে ওঠার সুযোগ পান তাহলে উপস্থিত কারোর ধৈর্য থাকে না। সাংবাদিকদেরও ধৈর্য থাকে না। ছাত্রলীগের যারা কর্মী তারাও কষ্ট করে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসে। তাদেরও ধৈর্য থাকে না। আমি সময় সম্পর্কে সচেতন হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। ডিসিপ্লিনটা আমদের দরকার।’

আগামী নির্বাচনে ফাইনাল খেলা হবে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আন্দোলন-আন্দোলন করতে করতে গলা শুকিয়ে যায়… মরা নদীতে জোয়ার আসে না; জোয়ার কি আসবে কখনও? নেতাকর্মীরা ছাড়া আপনাদের সঙ্গে দেশের মানুষ যোগ দেয়নি। ফয়সালার কথা কোন মুখে বলেন? আমি বলেছি— হবে হবে, ফয়সালা হবে। ফয়সালা হবে আগামী নির্বাচনে, ফাইনাল খেলা। তখন দেখা যাবে, কে হারে কে জেতে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘টেমস নদীর ওপার থেকে দণ্ডিত অর্থপাচারকারী অপরাধী হাঁক-ডাক দিচ্ছে। সেই ডাকে টেমস নদীতে ঢেউ উঠেছে কিনা জানি না, তবে পদ্মা-মেঘনা-যমুনায় ঢেউ নেই। বিএনপির শুকনো নদীতে জোয়ার আর আসবে না। চিৎকার যত পারেন করেন, ফয়সালা হবে নির্বাচনে। হুমকি দিয়ে লাশ ফেলতে চান? লাশ ফেলার দুষ্টচক্রে আবদ্ধ হচ্ছেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল আপনাকে সতর্ক করে দিতে চাই। আপনাদের হাতে অনেক রক্তের দাগ। ২১ হাজার আওয়ামী লীগ কর্মী, আহসান উল্লাহ মাস্টার, এ এম এস কিবরিয়া; এদের রক্ত আপনাদের হাতে। আমরা আপনাদের কাউকে হত্যা করিনি। হত্যার ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাসী নই। হত্যাচেষ্টা হয়েছে আমাদের নেত্রীর ওপর, কিন্তু খালেদা জিয়াকে কেউ মারতে যায়নি।’