যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে শেষ পর্যন্ত রাজকীয় প্রত্যাবর্তনই হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন তিনি। ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় ২৭০ ইলেকটোরাল ভোটের ল্যান্ডমার্ক পার করে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলাকে পরিষ্কার ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত হয়ে গেছে তার দল রিপাবলিকান পার্টির। দারুণ এ জয়ে বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতে উঠেছে রিপাবলিকান শিবির।

এর মধ্য দিয়ে ১৩২ বছরের এক রেকর্ড ভাঙলেন ট্রাম্প। ট্রাম্প হতে যাচ্ছেন সবচেয়ে বেশি বয়সে নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর বয়স এখন ৭৮ বছর। এর আগে জো বাইডেন ৭৭ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। শুধু তা–ই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট, যিনি ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত।

ফক্স নিউজের পর এবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনও ট্রাম্পের জয়ের তথ্য নিশ্চিত করল। এর মধ্যে বিবিসি বলছে, ২৭৯টি ইলেকটোরাল ভোট পেয়েছেন ট্রাম্প। আর সিএনএন বলছে, ট্রাম্প পেয়েছেন ২৭৬টি ইলেকটোরাল ভোট। প্রেসিডেন্ট হতে হলে প্রয়োজন ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট। সে হিসেবে আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, উইসকনসিনে জিতে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিবিসির পার্টনার মিডিয়া সিবিসি বলছে, আরেকটি সুইং স্টেটে হেরে গেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস। আর তা হলো উইসকনসিন। এর মধ্য দিয়ে আবারও আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ট্রাম্প।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প পেয়েছেন ২৭৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট। আর ডেমোক্রেটিক কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ২২৬টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট।

আমেরিকার ৫০টি অঙ্গরাজ্যে মোট ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হতে হলে কোনো প্রার্থীকে অন্তত ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে হয়। তাই এটিকে (২৭০) ‘ম্যাজিক’ সংখ্যা বলা হচ্ছে।