কোটা সংস্কার আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দুই পুলিশ সদস্যের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার সকালে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও রংপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্রকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। পরে রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাজহাট আমলী আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ ওই দুই পুলিশ সদস্যকে নেওয়া হয়।
বাদী পক্ষের আইনজীবী জানান, আসামিরা সরাসরি শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করেন। এ ঘটনায় ওই দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে মেট্রোপলিটন পুলিশ। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের কাছে গতকাল রাতে তাঁদের হস্তান্তর করে। আজ মঙ্গলবার সকালে আদালতে হাজির করা হয় দুই পুলিশ সদস্যকে। সেখানে বাদীপক্ষের আইনজীবীরা পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহত হন। এ ঘটনায় তাঁর বড় ভাই রমজান আলী বাদী হয়ে ১৯ আগস্ট মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, রংপুর রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল বাতেন, রংপুর মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, ডিসি ক্রাইম আবু মারুফ হোসেন, পুলিশ সদস্য আমির হোসেন, সুজন চন্দ্র রায়সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ জনকে।