ফিলিস্তিনের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে মুসল্লিদের বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। নামাজ পড়তে গেলে তাদের ওপর টিয়ার গ্যাস ও স্টান গ্রেনেড ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি বিবেচনায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইসরাইলি বিধিনিষেধের কারণে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি পবিত্র স্থানে প্রবেশ করতে না পারায় আল-আকসা এবং ইব্রাহিমি মসজিদে ঈদের নামাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম ইসরাইল আল-আকসা মসজিদে ঈদের নামাজে বাধা দিল, যেখানে কেবল ওয়াকফ-এর অল্প সংখ্যক কর্মীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
হেব্রনের ইব্রাহিমি মসজিদে হাজার হাজার মানুষকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি; কড়া সামরিক কড়াকড়ির মধ্যে মাত্র কয়েক ডজন লোককে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
জেরুজালেম এবং পশ্চিম তীরজুড়ে ইসরাইলি বাহিনীর টিয়ার গ্যাস, গ্রেপ্তার এবং কঠোর ব্যবস্থার মুখে মুসল্লিরা রাস্তায় নামাজ পড়তে বাধ্য হয়েছেন।
আল-আকসা মসজিদে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা
ইসরাইলি দখলদার কর্তৃপক্ষ ঈদুল ফিতরের সময় ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের ওপর ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, যার কারণে দখলকৃত জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে হাজার হাজার মানুষ পৌঁছাতে পারেননি।
১৯৬৭ সালে শহরটি দখলের পর এই প্রথম মসজিদের ভেতরে ঈদের নামাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইসরাইলি দখলদার বাহিনী মসজিদের প্রবেশাধিকার কেবল অল্প সংখ্যক রক্ষী এবং ওয়াকফ কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে, যা অন্যতম প্রধান এই ধর্মীয় উৎসবে মসজিদ প্রাঙ্গণকে কার্যত মুসল্লিশূন্য করে ফেলে।
পুরানো শহরজুড়ে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল, যারা ব্যারিকেড তৈরি করে যাতায়াতের পথগুলো বন্ধ করে দেয়।











