রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনের প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎকেন্দ্র নষ্ট হয়ে গেছে। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ড্যানিস শিমহাল এ কথা জানিয়েছেন। খবর বিবিসি।
এরই মধ্যে শহরটি ‘সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে সতর্ক করেন কিয়েভের একজন কর্মকর্তা। এর আগে দেশটির এক কোটিরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ।
তবে অব্যাহত রুশ বোমাবর্ষণের মধ্যে দেশটির কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
দুর্ভাগ্যবশত রুশ বাহিনী ইউক্রেনের বেসামরিক এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ডেনিস শিমহাল। এতে করে দেশটির জ্বালানি ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক নষ্ট হয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।
তবে কিয়েভের ডেপুটি মেয়র মাইকোলা পোভোরোজনিক বলেন, শহর পুরোপুরি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নসহ যেকোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। কিন্তু কি ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, রাশিয়ান বাহিনীর প্রধান লক্ষ্য ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেয়া।
সবশেষ ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন নগরী থেকে মস্কো বাহিনী চলে যাওয়ায় সেখানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়লাভ করার পর ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে রাশিয়ার হামলার শিকার হয়।
ইউক্রেনের বিভিন্ন নগরী থেকে আন্তর্জাতিক গনমাধ্যমের সাংবাদিকরা জানান, সবশেষ হামলা এমন এক সময় চালানো হলো, যখন এ মৌসুমের শীত পড়া সবেমাত্র শুরু হয়েছে। সামনে কঠিন দিন আসছে কিয়েভের কর্মকর্তারা এমন সতর্কতা দেয়ার পরও এসব হামলা চালানো হলো।