ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলের চেরনিহিভ শহরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শিশুসহ অন্তত ৭জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও শতাধিক লোক আহত হয়েছে বলে জানায় আন্তর্জাতিক একাধিক সংবাদামাধ্যম।

খবরে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার ইউক্রেনে ছুটির দিন ছিল। এ দিনেই শহরটিতে ভয়াবহ হামলা চালায় রুশ বাহিনী। একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও থিয়েটারে আঘাত হানে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র।

ফলে শহরের ব্যস্ততম এলাকায় হামলায় ছোটাছুটি শুরু করে দেয় স্থানীয়রা। অনেকে আতঙ্কে দৌড়ে পালাতে থাকে। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্ষয়ক্ষতির কিছু ছবি তাৎক্ষণিক সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। এতে দেখা গেছে, বেশ কিছু অবকাঠামো ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আশপাশে ধোঁয়া উড়ছে। পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন বাসিন্দারা।

এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, শনিবার চেরনিহিভের কেন্দ্রে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। সেখানে একটি পলিটেকনিক বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি থিয়েটার রয়েছে।
 
জেলেনস্কি এখন সুইডেন সফরে রয়েছেন। ইন্টারনেটে তার প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, চেরনিহিভে যেখানে হামলা চালানো হয়েছে, সেখানে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন আমলের একটি বড় ভবনের চারপাশে ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে। ভবনের পাশে কয়েকটি গাড়িও কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার প্রভাব পড়েছে আশপাশের ভবনগুলোতেও। 
 
এদিকে এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন জানিয়েছে, শনিবার ইউক্রেন সীমান্তবর্তী রোস্তভ-অন-ডন শহরের একটি ঘাঁটিতে রুশ সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পুতিন। বৈঠকে সামরিক বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমভসহ অন্যরা পুতিনের সামনে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন। রুশ বার্তা সং