কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে গোল উৎসব করেছে অন্যতম ফেবারিট ইংল্যান্ড। ৬-২ গোলে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ড। জোড়া গোল করলেন বুকাও সাকা। জুড বেলিংহ্যাম, জ্যাক গ্রিলিশ, রহিম স্টার্লিং, মার্কাস রাশফোর্ডরা গোলবন্যায় ভাসিয়ে দিলেন ইরানকে।

সোমবার (২১শে নভেম্বর) সন্ধ্যায় খালিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুরুটা ইরান করেছিল ভালোই। ইংলিশ আক্রমণ একের পর এক রুখে দিয়ে আভাস দিচ্ছিল কঠিন এক ম্যাচের। প্রথম আধঘন্টা ইংল্যান্ডকে বেঁধে রাখতে সক্ষম হলেও পরের ১৫ মিনিটে তিন গোল খেয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে এশিয়ার দলটি।

৩৫তম মিনিটে লুক শর ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে দলকে এগিয়ে নেন জুড বেলিংহাম। এখান থেকেই শুরু। এরপর ৪৩তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে দ্বিতীয় লিড এনে দেন বুকায়া সাকো। বলের যোগানদাতা ছিলেন হ্যারি ম্যাগুয়ার।

দুই গোল খেয়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে ইরান। বেশ কয়েকটি আক্রমণও করে তারা। তবে গোল তো দিতেই পারেনি উল্টো আরেকটি গোল খেয়ে বসে। যোগ করা সময়ে হ্যারি কেইনের বাড়ানো নিচু ক্রসে গোল করেন রাহিম স্টার্লিং।

৩-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় হ্যারি কেইনরা। বিরতির পর মাঠে নেমে আক্রমণের ধার বাড়ায় ইরান। পাল্টা আক্রমণে যায় ইংল্যান্ডও। সেখান থেকেই আসে চতুর্থ সাফল্য। রহিম স্টার্লিংয়ের বাড়ানো বল বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন সাকা।

মিনিট তিনেক পর একটি গোল শোধ করে ইরান। গলিজাদের পাস থেকে গোলটি করেন মেহদি তারেমি। তবে ব্যবধান কমিয়েও ইরান তা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। সাকার বদলি হিসেবে নামা মার্কাস রাশফোর্ড গোল করে ব্যবধান বাড়ান।

আর নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে জ্যাক গ্রিলিশ স্কোরলাইন করেন ৬-১। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে অতিরিক্ত সময়ের ১২ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করে হারের ব্যবধান কমান মেহদি তারেমি।

গোটা ম্যাচে ৮০ শতাংশ সময় বল দখলে ছিল ইংল্যান্ডের। ইরানের সাতটি আক্রমণের বিপরীতে ইংল্যান্ড করে ১৪টি আক্রমণ।