রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, একুশে পদক দেওয়ার মাধ্যমে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মানিত করে দেশে মেধা ও মননচর্চার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারিত হবে।

‘একুশে পদক-২০২২’ প্রদান উপলক্ষে শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি একথা বলেন।

ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্প, সমাজ, গণমাধ্যম প্রভৃতি ক্ষেত্রে নিবেদিতপ্রাণ যেসব খ্যাতিমান বিশিষ্ট নাগরিক ‘একুশে পদক ২০২২’ পেয়েছেন, তাদের তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয় ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল। তিনি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি ১৯৪৮ সালে মাতৃভাষার দাবিতে গঠিত ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মহান ভাষা আন্দোলনসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের দীর্ঘ সংগ্রামে অমর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ভাষা শহীদদের গৌরবদীপ্ত আত্মত্যাগের স্মৃতিবাহী দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে সরকার বাংলাদেশের ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বিশিষ্ট নাগরিকদের প্রতিবছর একুশে পদক দিয়ে আসছে। সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণীজনরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদের সম্মানিত করার মধ্য দিয়ে দেশে মেধা ও মননচর্চার ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারিত হবে।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নাগরিকরা দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সংস্কৃতি বিকাশে তাদের নিরন্তর প্রচেষ্টা ও সাধনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেবেন-এ প্রত্যাশা করি।’

সূত্র : বাসস