মহাজাগতিক ও বিরল সৌন্দর্যের সাক্ষী হলো বিশ্ববাসী। যার নাম সুপার ব্লু মুন। বুধবার রাতে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি থাকায় চাঁদকে স্বাভাবিকের চেয়ে ১৪ গুণ বড় দেখা গেছে। উত্তর আমেরিকা, এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে দেখা গেছে এই অসাধারণ পূর্ণচন্দ্র। এ নিয়ে আগস্ট মাসে দু’টি সুপারমুনের দেখা পেল বিশ্ব। ২০৩৭ সালের আগে আর এক মাসে দু’বার এমন দৃশ্যের দেখা মিলবেনা বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
চাঁদ যখন কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করে, সেসময় হয় সুপার মুন। সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় চাঁদকে সেসময় ১৪ গুণ বড় এবং ৩০ গুণ বেশি উজ্জ্বল দেখা যায়। বুধবার রাতের আকাশে দেখা মিলেছে অসাধারণ সৌন্দয্যের সেই পূর্ণচন্দ্র। এদিন পৃথিবী থেকে একমাত্র উপগ্রহের দূরত্ব ছিলো ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ কিলোমিটার। উত্তর গোলার্ধের বেশিরভাগ দেশ থেকে সোনালী থালার মতো দেখা গেছে চাঁদকে। আর এই পূর্ণ চন্দ্রের নাম দেয়া হয়েছে নীলাভ চন্দ্র বা ব্লু মুন।
আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, উত্তর গোলার্ধে তৃতীয় এবং শেষ পূর্ণিমা বলেই এটি সুপার ব্লু মুন। মহাজাগতিক ক্যালেন্ডার অনুসারে প্রতি ১০ বা ২০ বছরে একবার সুপার মুন হয়ে থাকে।
চলতি মাসের পহেলা আগস্টেই দেখা মিলে ছিলো এই পূর্ণচন্দ্রের। পৃথিবীর চারপাশে একবার ঘুরে আসতে চাঁদের ২৭ দিন সময় লাগে। ফলে মাঝে মধ্যে এক মাসে দুইটি করে পূর্ণিমা হতে দেখা যায়। এর আগে, ২০১৮ সালে একই মাসে দুই বার সুপারমুন দেখা গিয়েছিলো। এরপর ২০৩৭ সালে ফের এই বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হবে বিশ্ব।