রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়াগনার প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোজিনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে রাশিয়া। বিবিসির এক প্রতিবেদেনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে ভাড়াটে সেনাবাহিনী হিসেবে লড়াই করে আসা ওয়াগনার গ্রুপ রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের সেনা শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ করেছে।
শুক্রবার (২৩ জুন) এক অডিওবার্তায় ওয়াগনার প্রধান ইভজেনি প্রিগোজিন বলেন, ‘রুশ বাহিনী আমাদের বিভিন্ন সেনা শিবিরের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় আমাদের অনেক সহযোদ্ধা সেনাসদস্যের মৃত্যুও হয়েছে। এ কারণে ওয়াগনারের সর্বোচ্চ নির্বাহী ফোরাম কমান্ডার্স কাউন্সিল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, সামরিক নেতৃত্বের হাত থেকে রাশিয়াকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।’
তবে ওগনার প্রধানের এমন অবস্থানের পর রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফএসবি) তার বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের অভিযোগ দিয়ে ফৌজদারি মামলা করেছে। একই সঙ্গে ওয়াগনার প্রধানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে এবং এ মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান দাবি করেছেন, তার বাহিনী রাশিয়ার একটি হেলিকপ্টার গুলি করে ভূপাতিত করেছে। রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘোষণার পর এমন দাবি করলেন তিনি।
শনিবার (২৪ জুন) সকালে প্রিগোজিনের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হেলিকপ্টারটি একটি বেসামরিক বহরের ওপর গুলি চালায়। যদিও এই ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে সে সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত জানাননি।
এর আগে তিনি বলেছিলেন যে তার বাহিনী ইউক্রেনের পূর্বে রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলে প্রবেশ করেছে।