কাতার বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ওয়েলসের সঙ্গে ১-১ ব্যবধানে ড্র করে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার রাতে আল রাইয়ান স্টেডিয়ামে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ উপহার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েলস। গোছানো ফুটবল খেলে শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে গেলেও বিরতির পর ঠিকই সমতায় ফেরে ওয়েলস।
ম্যাচের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে চেপে ধরে ওয়েলস। তবে সুযোগ পেলেই দারুণ সব প্রতিআক্রমণে ওয়েলসের রক্ষণের পরিক্ষা নেয় আমেরিকানরা। নবম মিনিটে অল্পের জন্য গোল পায়নি দলটি। জশ সার্জেন্টের কাছ থেকে নেওয়া নিচু শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর দুই দলই ব্যর্থ আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে। এমনকি ৩২তম মিনিট পর্যন্ত ওই প্রথম আক্রমণটিই হয়ে থাকে বক্সের ভেতর থেকে একমাত্র।
৩৬তম মিনিটে ওয়েলসের রক্ষণ-দেয়াল ভাঙতে সক্ষম হয় যুক্তরাষ্ট্র। সার্জেন্ট ও পুলিসিক ওয়েলসের অর্ধে ঢুকে পড়েন। এরপর কিছুটা সময় নিয়ে নিচু শটে বল ওয়েহ’র দিকে বাড়িয়ে দেন পুলিসিক। বক্সের একদম সামনে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় হেনেসিকে পরাস্ত করেন আমেরিকান স্ট্রাইকার। ১৯৫৮ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিপক্ষে গোল করার কীর্তি গড়লেন ওয়েহ। এর আগে সর্বশেষ গোল করেছিলেন ব্রাজিলিয়ান গ্রেট পেলে।
বিরতির পর খেলতে নেমে ছন্দ খুঁজে পায় ওয়েলস। একের পর এক আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণভাগের পরীক্ষা নেয় দলটি। ৬৪তম মিনিটে সমতায় ফিরতে পারত তারা। ফ্রি-কিক থেকে উড়ে আসা বল হেডে ঠেকাতে পারেননি জিমারম্যান ও অ্যাডামস। বল চলে যায় বেলের কাছে; বক্সে তিনি হেড দেন ডেভিসের কাছে। টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডারের জোরালো হেড ঝাপিয়ে ঠেকান আমেরিকার গোলরক্ষক। এক মিনিট পর কর্ণার থেকে উড়ে আসা বল ওয়েলসের কেউ হেড নিলে একটুর জন্য জালে জড়ায়নি।
৮১তম মিনিটে বক্সে গ্যারেথ বেলকে ফাউল করেন জিমারম্যান; পেনাল্টির বাঁশি বাজায় রেফারি। সফল স্পট কিকে লক্ষ্যভেদ করে দলকে সমতায় ফেরাতে ভুল করেননি সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। পরবর্তীতে আর কোনো গোল না হলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।