পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে টানা দুই ম্যাচ হারার পর তৃতীয়টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ২-১ এ ব্যবধান কমালো ভারত।ভারতকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারানোর সুযোগ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। লড়াই করার মতো স্কোর জমা হয়েছিল। কিন্তু সূর্যকুমার যাদবের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে তাদের অপেক্ষায় রাখলো সফরকারীরা। মঙ্গলবার গায়ানার প্রভিডেন্সে তৃতীয় ম্যাচে ৭ উইকেটের দাপট দেখানো জয় পেয়েছে ভারত। তাতে সিরিজে টিকে থাকলো তারা।
এদিন আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কোনো উইকেট না হারিয়ে পূর্ণ করে অর্ধশতক। এরপর দলীয় ৫৫ রানের মাথায় হারায় প্রথম উইকেট। ২৫ রান করে ফেরেন কাইল মায়ার্স। দলীয় ৭৫ রানের মাথায় ফেরেন ১২ রান করা জনসন চার্লস। ১০৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট পতন হয়। তাতে কমে যায় রানের গতি। তবে শেষ দিকে নামা রভম্যান পাওয়েলের ১৯ বলে ৪০ আর ওপেনার ব্র্যান্ডন কিংয়ের ৪২ রানের সুবাদে ৫ উইকেটে ১৫৯ রানের স্কোর গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
রান তাড়া করতে নেমে অভিষিক্ত যশ্বসী জয়সওয়ালকে প্রথম ওভারেই হারায় ভারত। এরপর এক প্রান্তে সূর্যকুমার ব্যাট হাতে রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করলেও, অন্য প্রান্তে ধুঁকতে হচ্ছিল শুভমন গিলকে। ১১ বলে ৬ রান করা গিলকে ফেরান আলজারি জোসেফ।
তবে গিলের বিদায় শাপেবর হয় ভারতের। নেমেই পরপর দুই চারে রানের খাতা খোলেন তিলক ভার্মা। সূর্যকুমার ও তিলকের এই জুটিতেই ৬ ওভারে ৬০ রান সংগ্রহ করে ভারত। ৮ম ওভারের প্রথম দুই বলে চার মেরে নিজের ফিফটি পূরণ করে নেন সূর্যকুমার। ২৩ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ফিফটিতে পৌঁছান এই ব্যাটসম্যান। এই দুজনের ব্যাটেই ১১তম ওভারে ১০০ রান পেরোয় ভারত।
৫১ বলে ৮৭ রানের দারুণ এক জুটি গড়েছেন সূর্যকুমার ও তিলক ভার্মা। দলীয় ১২১ রানে সূর্যকুমারের বিদায়ে ভাঙে এ জুটি। জোসেফের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে সূর্যকুমারের ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ৮৩ রান। তবে সূর্যকুমারের গড়ে দেয়া ভিতে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। তিলক ৩৭ বলে ৪৯ রানে ও পান্ডিয়া ১৫ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন।