বহুদিন ধরে ‘কাজল রেখা’ কে পরম যত্নে আগলে রেখেছেন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম! প্রযোজক পাননি, নির্মাণের পরিবেশ পাননি, মনের মতো শিল্পী পাননি−কিন্তু হাল ছাড়েননি। বরং নিয়তই ছবিটি নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে গেছেন। গত একযুগের বিভিন্ন সময়ে ‘কাজল রেখা’ নিয়ে নানা প্রশ্নে জর্জরিত হয়েছেন পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম। অবশেষে লালিত স্বপ্ন বাস্তবের ফ্রেমে আসছে।
শুরু হচ্ছে এই নন্দিত নির্মাতার কাঙ্ক্ষিত সিনেমা ‘কাজল রেখা’র কাজ। প্রযোজক, কুশলী সবই চূড়ান্ত। মিলেছে মনের মতো নায়িকাও। এ ছবির মাধ্যমে অভিষেক হচ্ছে নবাগত মন্দিরা চক্রবর্তীর। তিনিই আছেন নাম ভূমিকায়। ছবির অপর কেন্দ্রীয় চরিত্রে থাকছেন শরিফুল রাজ। সঙ্গে থাকবেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।
রাজ ও পরীমণিকে নিয়ে মাত্রই সেলিম শেষ করেছেন ‘গুণিন’ সিনেমা। অপর দিকে মন্দিরাকে নিয়ে এবারই বড় পর্দায় আসছেন নির্মাতা।
ভীষণ খুশি মন্দিরা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিল বড় পর্দায় আসবো। সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে অল্প বিস্তর কাজের অভিজ্ঞতা হলেও এবারেরটা একেবারে আলাদা। সব মিলিয়ে অবশেষে আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে।’
শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করা মন্দিরা ২০১২ সালে ‘সেরা নাচিয়ে’ নামের নাচের প্রতিযোগিতা অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি দ্বিতীয় রানারআপ হন। এরপর নিয়মিত অভিনয় ও মডেলিং করে যাচ্ছেন।
এদিকে জানা যায়, মৈমনসিংহ গীতিকা থেকে ‘কাজল রেখা’র গল্প তৈরি করা। সিনেমার জন্য ৫০০ বছর আগের সময়ে ফিরে যেতে হবে নির্মাতাকে। লোকেশন, আবহ সব সে সময়ের জন্য তৈরি করতে হবে। মৈমনসিংহ গীতিকায় কাজল রেখার যে পালা আছে, সেখান থেকেই সিনেমার গল্প।
সেলিম বলেন, ‘ওই সময় ৯ বছর বয়স হলেই মেয়েদের বিয়ে দিতে হতো। কাজল রেখার বয়স যখন ৯ হয়, তখন এক নতুন গল্প তৈরি হয়। সেটিই উঠে আসবে সিনেমার গল্পে।’
ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করবেন ইরেশ যাকের, আজাদ আবুল কালাম, খায়রুল বাসার, সাদিয়া আয়মানসহ অনেকে।