গাজীপুরের কালীগঞ্জে কাভার্ড ভ্যান চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার ৫ যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে টঙ্গী-ঘোড়াশাল বাইপাস সড়কের কালীগঞ্জের মূলগাঁও মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। কালীগঞ্জ থানার ওসি মো: আলাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলো-নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার আখরাশাল এলাকার আব্দুর রহমানের স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৭০) ও ছেলে মোহাম্মদ আলী (৫৫), মোহাম্মদ আলীর ছেলে আমানউল্লাহ (৫), গাজীপুরের নোয়াগাঁও এলাকা সুবাস কর্মকারের ছেলে অমল কুমার কর্মকার (৩৯) এবং সাতক্ষীরা জেলা সদরের হাজিপুর এলাকার মগরব আলীর ছেলে নাজমুল (৩৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার মূলগাঁও মাদরাসা এলাকায় শনিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে প্রাণ-আরএফএলের কাভার্ডভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলে অটোরিকশার চার যাত্রীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় চার বছরের এক ছেলে শিশু (৪) এবং সিএনজি চালকসহ তিনজনকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া গুরুতর আহত সিএনজি চালককে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের লিডার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক নারীসহ চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয়রা হাসপাতালে নেওয়ার পর এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক রেজিনা আফরিন বলেন, রাত সাড়ে ১১টার দিকে এক শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে।‌ এছাড়াও মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে আনা সিএনজি চালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, সিএনজি চালিত অটোরিকশার সাথে কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও এক শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত আরও দুইজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।