সমাবেশে মিছিল নিয়ে যোগ দেওয়ার পথে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মোবারক হোসেন বাবু নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় নিহতের ছেলে ইমরানসহ সাত জন আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ ইমরানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (১৭ জুন) মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন বিকেলে উপজেলার দুর্গমচর বাহাদুরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আওয়ামী লীগের দুটি পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ওই দুই গ্রুপ হচ্ছে- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এবং মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজান। তবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও এলাকা থমথমে অবস্থায় রয়েছে।
পুলিশ জানান, শনিবার বিকেলে উপজেলার মাথাভাঙা হাইস্কুল মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সমাবেশের আয়োজন করে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। পরে এই সমাবেশে মিছিল নিয়ে যোগ দিতে আসার পথে মায়ার প্রতিপক্ষরা হামলা করে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন বাবু ও তার ছেলে। পরে স্থানীয় নেতারা বাবুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সিগমা রশিদ জানান, গুরুতর আহত মোবারক হোসেন বাবুকে একেবারেই শেষ পর্যায়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তবে আহত ইমরান বেপারী (১৮) ও জহির কবিরাজকে (৩৫) ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, এ ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।