ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. আবদুল মালিক মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে তাঁর মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোকবার্তায়  প্রধানমন্ত্রী বলেন, আব্দুল মালিক বাংলাদেশের হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃৎ ছিলেন। একাধারে তিনি ছিলেন একজন সফল চিকিৎসক, খ্যাতনামা শিক্ষক এবং সমাজসেবক। মানবহিতৈষী কর্মকা-ের জন্য তিনি নানাভাবে পুরস্কৃত এবং প্রশংসিত হয়েছেন। বাংলাদেশে হৃদরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) শাহাজাদী সুলতানা ডলি বলেন, বার্ধক্যজনিত কারণে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।

আব্দুল মালিক ১৯২৯ সালের পহেলা ডিসেম্বর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কুচাই ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

আব্দুল মালিক ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিলেন। ২০০৬ সালে সরকার তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে। ১৯৪৯ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন।

আবদুল মালিকের স্ত্রী আশরাফুন্নেসা খাতুন। তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। মেয়ে ডা. ফজিলাতুন্নেছা মালিক ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কার্ডিলজি বিভাগের অধ্যাপক। ছেলে মাসুদ মালিক একজন ব্যবসায়ী। অপর ছেলে মনজুর মালিক কানাডায় থাকেন।