জাতীয় সংসদে এক দিনে সর্বোচ্চ ৩১টি বিল পাসের নজির স্থাপিত হয়েছে, যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে একটি নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনের ১১তম দিনে এসব বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়।

অন্তর্র্বতী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো অবিকল রেখে ২৮টি বিল জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। অধ্যাদেশ রহিত করে পাস করা হয়েছে আরও দুটি বিল। এছাড়া ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ রহিত করে ২০০৯ সালের ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন’ পুনঃপ্রচলন করে আনা ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, অধিকাংশ বিল মাত্র ২ থেকে ৩ মিনিটের মধ্যে পাস করা হয়েছে, যা আইন প্রণয়নের গতি নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। এ নিয়ে জাতীয় সংসদে গত ৫ কার্যদিবসে মোট ৬৮টি বিল পাস হয়। গত রবিবার ২টি, সোমবার ৭টি, মঙ্গলবার ১৪টি, বুধবার ১৪টি এবং বৃহস্পতিবার পাস হয় ৩১টি বিল।

এদিকে সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, চলতি অধিবেশন শুরুর পর নির্ধারিত ৩০ দিন, অর্থাৎ ১০ এপিলের মধ্যে অন্তর্র্বতী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ পাস করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম জানান, সংবিধানের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিপুলসংখ্যক অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের চাপ থাকায় দ্রুত বিল পাস করতে হয়েছে। বাকি অধ্যাদেশগুলোকে বিল আকারে পাস করতে শুক্রবারও (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে অধিবেশন।