দেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এবার জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করার সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পুরস্কৃত করবে সরকার। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।

অবৈধ মজুদদারি বন্ধে তথ্য দানকারীদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। এছাড়া সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় গ্রাহদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি ক্রয় না করে স্বাভাবিক ক্রয় প্রক্রিয়া বজায় রেখে সাশ্রয়ী ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকি করতে ইতোমধ্যে দেশের সব জেলায় ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে। অবৈধ মজুতদারি বন্ধে যারা তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন, তাদের জন্য দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের ঘোষণা আসতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এদিকে অবৈধ মজুতদারি রুখতে মাঠপর্যায়ে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে ৩০টি ড্রামে অবৈধভাবে মজুত করা আনুমানিক ৬ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অবৈধ মজুত প্রতিরোধের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন এখন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে দেশের সব তেল ডিপো, পেট্রল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট তেল কারবারিরা প্রশাসনের নিবিড় নজরদারির আওতায় রয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।