মন্ত্রিসভার টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন) মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। রোববার (১৯ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।

তারা হলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদত্যাগ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এটা নিয়মতান্ত্রিক বিষয়।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পদত্যাগ এবং নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে যে সরকার আছে এই সরকারই থেকে যাবে। গতবারও এটাই হয়েছে। তবে এখানে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকতে পারবে না, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা থাকতে পারবেন না। এই পদবিগুলোতে যারা আছেন, তারা অটোমেটিক বাদ হয়ে যাবে।

গত ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা পদত্যাগ করলেও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা পদত্যাগ করেননি।

বর্তমানে সরকারের মন্ত্রিপরিষদে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা হলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।

এর আগে গত ১৫ নভেম্বর দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত, তা বাছাই হবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর। আর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৭ ডিসেম্বর। এছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ হবে। ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ভোট।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ কাজ করছে। ২০১৮ সালেও মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করার জন্য চিঠি দিয়েছিল। এবারো তারা কাজ করছেন। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।