প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বিএনপির নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সদ্যবিদায়ী অন্তর্র্বতী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নির্বাচিত সরকার গঠনের পর বিলুপ্ত হয়ে গেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বতীকালীন সরকার। তবে সেখান থেকে বিএনপি সরকারে জায়গা পেয়েছেন ড. খলিলুর রহমান। ড. খলিলুর রহমানকে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রী হিসেবে তিনিও শপথ নিয়েছেন।
১৯৭৯ সালে সিভিল সার্ভিসে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন ড. খলিলুর রহমান। শুরুতে দক্ষিণ এশিয়া বিভাগ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৮৫ সালে তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে যোগ দেন। সেখানে তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ড. খলিলুর রহমান ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন।
জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন এবং ফ্ল্যাগশিপ প্রকাশনার প্রধান রচয়িতা ছিলেন ড. খলিলুর রহমান। তিনি ২০০১ সালে ব্রাসেলস সম্মেলনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর কর্মসূচি পরিকল্পনার খসড়া তৈরিতে নেতৃত্ব দেন। ড. খলিলুর রহমান ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। এছাড়া তিনি ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমানের একান্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
ড. খলিলুর রহমান রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলির জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের হাইরিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এই দায়িত্ব পালনের সময় তিনি উপদেষ্টার মর্যাদা এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।পরে তাকে একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদেও নিয়োগ দেওয়া হয়।












