দ্বিপক্ষীয় সফরে আগামীকাল ভারতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার তাগিদ পুনর্ব্যক্ত হবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। একই সাথে পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও ভূ-রাজনীতিও প্রাধান্য পেতে পারে বৈঠকে। চীন সফরের আগে এই সফরকে ভারসাম্য রক্ষার বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর ১৩ দিনের ব্যবধানে আবারও দিল্লি যাচ্ছেন বাংলাদেশের সরকার প্রধান।

এই সফরে তিস্তাসহ দ্বিপাক্ষিক কিছু প্রসঙ্গ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরতে পারেন বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফরের মধ্যে দিয়ে আঞ্চলিক রাজনীতি এবং ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের গুরুত্ব আবারও ফুটে ওঠবে।

ভারতের পরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চীনে যাওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রথম সফরটি কিছুটা ভারসাম্য বজায় রাখার সফরও।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদে লাভবান হতে তৃতীয় পক্ষের অবস্থান নিয়ে বেশি চিন্তিত না হওয়ার পরামর্শও দিলেন বিশ্লেষকরা।