দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই মূল্যতালিকা ঘোষণা করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের দাম পুনর্র্নিধারণ করা হয়েছে।

নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ধরা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পার্থক্য হতে পারে।

এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ৭ম বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৫ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

স্বর্ণের দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকায়।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ২ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।