আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। মহানবী হযরত মোহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আইলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্ম ও মৃত্যুদিবস। যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধেদিয়ে সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে দিবসটি। মুসলমানদের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ উপলক্ষে দেশের ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিশাল ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জসনে জুলুস বের করা হয়।

সারাদেশেও শোভাযাত্রা বের হয়েছে। এছাড়া আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও নফল ইবাদতের মধ্যদিয়ে মিলাদুন্নবী পালন করছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্ম ও মৃত্যু দিবস স্মরণে ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যের সাথে এ দিনটি পালন করা হয়। এ উপলক্ষে রাজধানীতে বের করা হয় বিশাল ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। এতে অংশ নেন বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমান। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, কালেমা লেখা পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানার। এই দিনে নবী করিম (স.) এর আগমন উপলক্ষে হামদ, নাত গেয়ে শোভাযাত্রা বের করে বিভিন্ন সংগঠন।

রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে আলোচনা সভায় মহানবীর জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন আলেমরা। বলেন, শান্তি, সাম্য, ন্যায় প্রতিষ্ঠা করাই ইসলামের মর্মবাণী।

এদিকে, চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদ এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী ৫২তম জশনে জুলুস শোভাযাত্রা করেছে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট। এতে নেতৃত্ব দেন আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ সাবির শাহ্। ষোলশহর হতে আনন্দ মিছিল বের হয় যা লাখো মানুষের অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে উঠে। তাকবির, দরুদ, হামদ, নাতে রাসুল, গজল, জিকিরে মুখর ছিল জসনে জুলুস।

শোভাযাত্রা বের করার আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

এদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে শোভাযাত্রা জসনে জুলুস বের হয়। আয়োজন করা হয় সিরাতে রাসুল আলোচনা সভা ও দোয়ার।