সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান ও তার পরিবারের ১৬৩ টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব হিসাবে ৬ কোটি ২৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৪ টাকা রয়েছে বলে তথ্য এসেছে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।
এসব ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন সময়ে মোট জমা ছিল ৩৮৫ কোটি ৭৮ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৩৯ টাকা এবং বিভিন্ন সময় উত্তোলন করা হয় ৩৭৯ কোটি ৫২ লক্ষ ৫ হাজার ৭৫ টাকা। দুদকের আবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এদিন এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক আফরোজা হক খান।
আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাঈমুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে ভিন্ন কোনো উৎস অর্থাৎ ঘুষ বা অবৈধ উপায়ে অর্থ অর্জনপূর্বক এ অর্থের উৎস আড়াল করার জন্য তার নাম, তার স্ত্রী নাসিমা খান মন্টি, তাদের তিন সন্তান লাবিবা নাঈম খান, আডিভা নাঈম খান ও যূলিকা নাঈম খানের ১৬৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৮৬ কোটি টাকা জমা করেন। এর মধ্যে ৩৭৯ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং করাসহ নিজ ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগটি অনুসন্ধানে টিম গঠন করা হয়। অনুসন্ধানকালে তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ১৬টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ১৬৩টি হিসাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বাক্তিরা এসব হিসাবে রক্ষিত অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে ব্যাংক হিসাব সমূহে রক্ষিত অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনুসন্ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা আবশ্যক।
এর আগে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি নাঈমুল ইসলাম খান ও তার স্ত্রী মন্টির আয়কর নথি জব্দের আদেশ দেন আদালত।
বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বাক্তিরা এসব হিসাবে রক্ষিত অর্থ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে ব্যাংক হিসাব সমূহে রক্ষিত অর্থ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনুসন্ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
এর আগে গর ২৫ ফেব্রুয়ারি তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।