আফগানিস্তানের হামলার জবাবে শুক্রবার ভোরে কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় অতর্কিত হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বাহিনী। এতে আফগানিস্তানের অন্তত ১৩৩ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং দুই শতাধিক আহত হয়েছে বলে দাবি পাকিস্তানের। এই হামলায় আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

ইউরোপভিত্তিক আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা থিঙ্কট্যাংক সংস্থা ওসিন্ট এর বরাতে জানা গেছে আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৬টা ৩ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় সংস্থাটি জানায়, পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন গজব-লিল হক’-এর সময় কাবুলে কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারসহ তিনি প্রাণ হারান। ২০২১ সালে তালেবান দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে আখুন্দজাদাই ছিলেন দল ও সরকারের প্রধান নীতিনির্ধারক, যার দিকনির্দেশনায় পুরো শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হতো।

তবে তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে এনিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া পাকিস্তানের হামলায় নিহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি আফগানিস্তানের। উল্টো আফগানিস্তান দাবি করেছে যে, তাদের হামলায় পাকিস্তানের অন্তত ৫৫ জন সেনা নিহত হয়েছে।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখল করে সরকার গঠন করে তালেবান বাহিনী। এই বাহিনীর শীর্ষনেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা তালেবান সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। তালেবান সরকার তার নির্দেশ ও দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চলে।