পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে দুদককে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাথে সংস্থাটির চেয়ারম্যানসহ উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে এসব কথা জানান দুদক মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন।
বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী সরকারের আস্থাভাজন ব্যক্তিরা অন্তত ১৮ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে বলে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। পাচার হওয়া এসব অর্থ ফেরাতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দুদকসহ বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠন করেছে।
অতীতে অর্থ পাচার হওয়া ফেরাতে দুদকের তেমন কোন সফলতা না থাকলেও এবার দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে এফবিআই, জাতিসংঘের ইউএনওডিসি’র সাথে বৈঠকও করেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছে দুদক। সংস্থার চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আব্দুল¬াহ’র নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলেল সাথে দুই ঘন্টার বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে ফাইনান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট সোফি ডংসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বিভিন্ন দেশথেকে অর্থ ফেরাতে বিশ্বব্যাংক কিভাবে দুদককে সহযোগিতা করবে তা নিয়ে আলোচনা হয়। যদিও এনিয়ে সাংবাদিকদের কিছু জানায়নি বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
পরে দুদক মহাপরিচালক জানান, পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে কারিগরিসহ সার্বিক সহযোগিতা করবে বিশ্ব ব্যাংক।
এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সাথে পাচারের বিষয়ে আইনগত দিক নিয়ে বৈঠক করে বিশ্বব্যাংকের এই দলটি।
এদিকে, প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১০ আসনে সাবেক এমপি এইচ বিএম ইকবাল এবং হবিগঞ্জ -৩ আসনের সাবেক এমপি আবু জাহিদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
অন্যদিকে, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, ঢাকা দক্ষিণের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন, পুলিশের সাবেক ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদারের সীমাহীন সম্পদ অর্জনের তথ্য চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েরছ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান।