পিরোজপুরে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে নসিমনে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় গুরুতর আহত আরও দু’জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তারা হলেন- শাহিন মোল্লা (১৮) ও সাব্বির (২০)। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো পাঁচজনে।

গতকাল (শুক্রবার) রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমজাতুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে এ দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়। তারা হলেন- বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার চোমরা গ্রামের আবুল হোসেন মিনার ছেলে মো. ইয়াসিন মিনা (১৪), কচুয়া উপজেলার আল আমিন মল্লিকের ছেলে মো. শাহিন মল্লিক (১৮) ও কচুয়া উপজেলার মো. বাদশা (১৮)।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামে পিরোজপুর-চরখালী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই বাদশা ও শাহীন মারা যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর ইয়াসিনের মৃত্যু হয়।

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. জা. মো. মাসুদুজ্জামান জানান, বিকেলে ২২ জন ক্যাটারিং কর্মী একটি নসিমনে করে বাগেরহাট থেকে বরগুনার পাথরঘটা উপজেলায় বিয়ের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথে সদর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের মঠবাড়িয়া থেকে ঢাকাগামী গ্রামীণ পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা নসিমনটিকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই দুজন মারা যান। পরে হাসপাতালে আরও একজন এবং রাতে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।