প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন যমুনা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) এ তথ্য জানিয়েছেন।
এদিকে যমুনার নিরাপত্তায় রাজধানীর কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি মোতায়েনের পর ডিএমপির পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হলো।
এর আগে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। ডিএমপি কমিশনারের সরাসরি নির্দেশে সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হলেও আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরানো যায়নি।
আজ শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার প্রবেশমুখে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ শুরু করে।
এরপর বেলা ১১টার দিকে মিছিলটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তবে কিছু সময় পর আবারও আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে যমুনা অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। ফলে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখী সড়কে এ সংঘর্ষ চলে। এরপর আবারও থেকে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সেখানে তিনি ১৪৪ ধারা জারির তথ্য দেন।












