সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার কাজ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই কার্যক্রম সফল হলে ২০২৫ সালের মধ্যে ৪০টি দেশে বসবাসরত বাংলাদেশীদের নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে ইসি’র। এজন্য নির্বাচন কমিশনের আইডিইএ প্রকল্পে ১শ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নিবন্ধিত নাগরিকদের প্রথমেই দেয়া হবে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র।
প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের একটি বড় অংশ থাকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। তাদের বেশিরভাগেরই জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। এজন্য তারা দেশে আসার পর অনেক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, জটিলতায় পড়ছে পাসপোর্ট নবায়ন করতে গিয়ে।
এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন। কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশন ঘোষণা দিয়েও এই কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি।
তবে ইসির ঘোষণার পর এর্পন্ত ৬টি দেশ থেকে ৫ হাজার ৪শ ৯টি আবেদন জমা পড়েছে। বেশি আবেদন এসেছে সৌদি আরব থেকে ১৬শ ৮৫টি। নির্বাচন কমিশন বলছে করোনা মহামারির জন্য উদ্যোগ নিয়েও কোন দেশে কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিবন্ধনের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে কারিগরী দল পাঠাবে নির্বাচন কমিশন। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। নাগরিকদের তথ্য, ছবি ও বায়োমেট্রিক সংগ্রহ করে যাচাই বাছাই শেষে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্ত করা হবে। দূতাবাসের মাধ্যমেই তাদের দেয়া হবে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিবন্ধন কার্যক্রম সফল হলে আরো অন্যান্য দেশেও এই কার্যক্রম চালানো হবে।
নির্বাচন কমিশন এই কাজের জন্য নাগরিকদের কাছ থেকে কোন অর্থ নিবে না। তবে দূতাবাস সার্ভিস চার্জ নিতে পারে তাদের নিয়ম নীতির আলোকে।