বন্যায় এ পর্যন্ত ১৩ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল হাসান। নিহতদের মধ্যে নারী রয়েছে দু’জন। শুক্রবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সচিব জানান, বন্যায় ১১টি জেলায় প্রায় ৪৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে দেড় লাখ মানুষকে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বন্যাদুর্গত জেলাগুলো হলো—ফেনী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। বন্যায় এখন পর্যন্ত কুমিল্লায় চারজন, কক্সবাজারে তিনজন, চট্টগ্রামে দুজন, ফেনীতে একজন, নোয়াখালীতে একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন মারা গেছেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুল হাসান বলেন, বন্যা পরিস্থিতি ধীর গতিতে উন্নতি হচ্ছে বলে আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

কামরুল হাসান বলেন, বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৫২ লাখ নগদ টাকা, ২০ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন চাল, ১৫ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে।

এছাড়া এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশের সদস্য ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।

ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, যদি বর্ষণ না হয় তবে আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে বন্যার পানি ধীরগতিতে হ্রাস পাচ্ছে।