বন্যার কারণে স্থগিত থাকা সিলেট শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ই জুলাই) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আবশ্যিক) বিষয়ের পরীক্ষা দিয়েই সিলেট বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলো।

শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশে যাতে বিঘ্ন না ঘটে এবং নিরাপত্তা বিবেচনায় কেন্দ্রের ২০০ গজে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে সিলেট মহানগর পুলিশ। এছাড়া সিলেট নগর ও  যেসব পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে তার আশপাশে সমাবেশ ও মিছিলসহ কিছু বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

এদিকে, মৌলভীবাজারে ১৮হাজার ১৭৯জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। জেলায় কলেজ মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল মিলিয়ে পর্যায়ে ২৪ টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দুই দফা বন্যার ফলে ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে বন্যার কারনে রাজনগর ও সদর, কুলাউড়া জুড়ি বড়লেখাসহ ৫টি উপজেলা যে ২৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেগুলো বন্যার আওতামুক্ত। এদিকে তবে সকাল থেকে দূর দূরান্তের বন্যা কবলিত এলাকার শিক্ষার্থীরা অনেকটা আগে ভাগেই পরীক্ষা কেন্দ্রে এসেছেন।

জেলা শিক্ষা অফিস সুত্র অনুযায়ী চলতি বছর এই জেলায় এইচএসসি, কারিগরি ও আলীম মিলিয়ে মোট ১৮হাজার ১৭৯জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

অন্যদিকে, এবার হবিগঞ্জ জেলায় মোট ১৬ হাজার ৪১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী বেড়েছে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় হবিগঞ্জে এবার মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৫৩, মাদ্রাসা বোর্ডে ৭৭৪৫ কারিগরী শাখায় ৮৭ জন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৭৭৬, লাখাইয়ে ৫৪৪, শায়েস্তাগঞ্জে ১ হাজার ২৭২, মাধবপুরে ১ হাজার ৭৫১, চুনারুঘাটে হাজার ৬৪২, বাহুবলে ১ হাজার ৪২৬, নবীগঞ্জে ৩ হাজার ৩৬৫, বানিয়াচংয়ে ১ হাজার ৯৫৩ ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ৬৮৫ জন।

এছাড়াও আগের রুটিন অনুযায়ী অন্য বিষয়ের পরীক্ষা হওয়ার পর ১৩ আগস্ট থেকে স্থগিত হওয়া চারটি বিষয়ের পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার নতুন রুটিনও প্রকাশ করেছে সিলেট শিক্ষা বোর্ড। নতুন রুটিনে চারটি বিষয়ের পরীক্ষা আগামী ১৩, ১৮, ২০ ও ২২ আগস্ট হবে।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের চার জেলার ৩০৯টি প্রতিষ্ঠানের ৮২ হাজার ৭৯৫ জন শিক্ষার্থী এবার এইচএসসিতে অংশ নিয়েছেন।