বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশের আরও ৪৬ সদস্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। বুধবার (১৭ই এপ্রিল) সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপির আষাঢ়তলী-জামছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করে তারা।

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ক্ষমতা দখলে নিতে সরকারি জান্তা বাহিনীর সঙ্গে আরাকান বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত চলেছে।

মঙ্গলবার রাতেও সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। সংঘাতে আরাকান বিদ্রোহীদের সঙ্গে টিকতে না পেরে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশ আশ্রয় নিচ্ছে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানান, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে আরাকান বিদ্রোহীদের মধ্যে গোলাগুলির সংঘাত চলেছে৷ মঙ্গলবার রাতেও সীমান্তের ওপারে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। সংঘাতে আরাকান বিদ্রোহীদের সঙ্গে টিকতে না পেরে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশ আশ্রয় নিচ্ছেন মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীরা।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি উপচমজেলার সদর ইউনিয়নের আষাঢ়তলী-জামছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু সীমান্তপথে নতুন করে ৪৬ জন মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিপি সদস্য আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে।

স্থানীয়দের দাবি, রাতের বেলায় প্রথম দফায় ৪৬ জন এবং দ্বিতীয় দফায় আরও ১৮ জন মিয়ানমারের বিজিপি সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন। বিজিবি তাদের নিরস্ত্র করে মঙ্গলবার সকালে আশ্রয় নেওয়া ১২ জনের সঙ্গে নতুনদেরও হেফাজতে রেখেছে।

তবে বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড-বিজিবির গণসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাতে নতুন করে ৪৬ জন মিয়ানমারের বিজিপি সদস্য পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে। তাদের নিরস্ত্র করে বিজিবি ক্যাম্পের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ২৬০ জন মিয়ানমারের বিজিপি সদস্য বাংলাদেশে অবস্থান করছেন ।