আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ সি’র ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনিকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে উগান্ডা। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭৭ রানে গুটিয়ে যায় পাপুয়া নিউগিনি। জবাবে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় উগান্ডা। বিশ্বকাপে এটি তাদের প্রথম জয়।
নির্দিষ্ট রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় উগান্ডা। দলীয় ৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। তবে অল্প রানের টার্গেট হওয়ায় টপ অর্ডারের বিদায়ের পর বুঝেশুনে খেলতে থাকে তারা। সর্বোচ্চ ৩৩ রান আসে রিয়াজত আলী শাহ’র ব্যাট থেকে। বাকিদের মধ্যে জুমা মিয়াগি করেন ১৩। আর কেউই দুই অঙ্কের রানে পৌঁছাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রায়ান মাসাবার দল।
উগান্ডার এই জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ফ্র্যাঙ্কো সুবুগা। ৪৩ বছর বয়সে বিশ্বকাপ খেলতে এসে আগেই করেছিলেন ইতিহাস। এবার বল হাতেও দেখালেন জাদু, ৪ ওভার বল করে ২ মেইডেনসহ ২ উইকেট নেন তিনি, যেখানে রান দেন মাত্র ৪! টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা সবচেয়ে কম রান হজমের রেকর্ড।
শুধু সুবুগা নয়, এদিন উজ্জ্বল ছিলেন উগান্ডার অন্যান্য বোলাররাও। সুবুগা ছাড়াও দুটো করে উইকেট নিয়েছেন রামজানি, কেউটা, মিয়াগি। দুই অংক ছুঁতে পেরেছেন মাত্র তিন ব্যাটার। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৫ রান করেন হিরি হিরি। তাছাড়া সিয়াকা ও ডোরিগা দুইজনই করেছেন ১২ রান।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উগান্ডাও বিপদে পড়ে। স্কোরবোর্ডে ৬ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারায় তারা। একটা সময় মনে হচ্ছিলো হয়তো পেরে উঠবে না তারা। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর যেন চোখে সর্ষেফুল ভেসে উঠে।
তবে জয়ের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখেন রিয়াজত আলী শাহ। উগান্ডার হয়ে তিনি একাই করেছেন ৩৩ রান। যেখানে দুই অংকের ঘরে যেতে পেরেছেন আর কেবল জুমা মিয়াজি, ১৩। বাকিরা কেউ দাঁড়াতেই পারেনি, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান আসে অতিরিক্ত থেকে।
সব মিলিয়ে ছোট ছোট জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফ্রিকান দলটি। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেট ও ১০ বল হাতে রেখে জয় পায় উগান্ডা। পিএনজির হয়ে ৪ ওভারে ১৬ রানে ২ উইকেট পেয়েছেন আলেই নাও। নরম্যান ভানুয়া ৪ ওভারে ১৯ রানে ২ উইকেট পেয়েছেন।