ভেনেজুয়েলার কারাকাসে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বাসভবনে শনিবারের (৩ জানুয়ারি) মার্কিন সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৫৭ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
ভেনেজুয়েলার বর্তমান দায়িত্বে থাকা প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ নিহত সেনা সদস্যদের স্মরণে সাত দিনের শোক ঘোষণা করেছেন।
ওই রক্তক্ষয়ী অভিযানে ভেনেজুয়েলার ২৩ জন সেনাসদস্য এবং ৩২ জন কিউবান যোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া ক্রসফায়ারে পড়ে ২ জন বেসামরিক নারীও নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, কিউবার সরকার নিশ্চিত করেছে, তাদের ৩২ জন সামরিক ও পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। কিউবা এই নিহতদের স্মরণে দুই দিনের শোক ঘোষণা করেছে।
রদ্রিগেজ টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, যে সব তরুণ ও পুরুষ-নারীরা দেশ ও প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে রক্ষার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের সম্মানের জন্যই এই শোক।
মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার অভিযানে কিউবান নাগরিকদের প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই।
নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন যে, মার্কিন অভিযানের সময় কিউবান যোদ্ধারা মাদুরোকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন, যা তাদের জন্য চরম ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। কিউবানদের এই প্রতিরোধের কারণেই নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
কিউবান কমিউনিস্ট পার্টির সরকারি পত্রিকা গ্রামাও নিহত সেনাদের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, এই কিউবান সেনারা ‘লড়াইয়ের সময় তীব্র প্রতিরোধের পর নিহত হয়েছে’। যাকে তারা গৌরবের বলেও উল্লেখ করেছে।












