যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, মায়ামী ২১ অক্টোবর (শনিবার) সন্ধ্যায় কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে এক বিশেষ আলোচনা ও দোয়া এবং সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কনস্যুলেটের বঙ্গবন্ধু কর্নারে শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এসময় শেখ রাসেলসহ পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। শেখ রাসেলের ছোট অথচ বর্ণিল জীবনের উপর নির্মিত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র ও শেখ রাসেল দিবসের থিম সং প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অংশে একটি সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে Bangladesh Cultural Institute of Florida (BCIF)-র শিশু-কিশোর শিল্পীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কনসাল জেনারেল ইকবাল আহমেদ কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা স্মারক/সার্টিফিকেট প্রদান করেন।
এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবার জন্য সকলকে বিশেষ করে উপস্থিত শিশু-কিশোরদেরকে কনস্যুলেটের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়। উপস্থিত সকলকে নৈশভোজে আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট ঘাতক চক্র জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে। ওই রাতে রেহাই পায়নি ১১ বছরের শিশু ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাসেলও।
তখন বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।