দীর্ঘ ৪৮ মাস পর বাংলাদেশিদের জন্য অব‌শে‌ষে খুললো মাল‌য়ে‌শিয়ার শ্রমবাজার। দেশটিতে সোমবার (৮ আগস্ট) থেকে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া শুরু হ‌য়ে‌ছে। এদিন রাত ১১টা ৪০ মিনিটে এয়ার এশিয়ার একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওয়ানা দেন ৫৩ কর্মী।

বিমানবন্দরে কর্মীদের বিদায় জানান জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক শহীদুল আলম।

তিনি জানান, বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়া শ্রম বাজার বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ও কাঙ্খিত গন্তব্য। মালয়েশিয়ার নির্মাণ, সেবা, কৃষি, পর্যটনসহ বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশি কর্মীরা দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। আসন্ন দিনগুলোতে আরও কর্মী মালয়েশিয়ায় যাবে। তাতে রেমিট্যান্সও গতি বাড়বে।

মালয়েশিয়ায় কর্মীদের বিদায় জানানোর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য প্রশাসন ও অতিরিক্ত সচিব মিজানুর রহমান, জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বায়রার প্রাক্তন সভাপতি বেনজির আহমেদ, মন্ত্রণালয় ও বিএমইটি’র কর্মকর্তাসহ রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএমইটি সূত্র বলছে, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে এসব কর্মী ফ্যাক্টরি ওয়ার্কার হিসেবে মালয়েশিয়ায় গেলেন। তাদের বেতন ১৫০০ মালয়েশিয়ান রিংগিত, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩২ হাজার টাকা। শর্ত অনুসারে তাদের চুক্তি তিন বছরের। ওয়ান ওয়ে প্লেন ভাড়া, বাসস্থান ও যাতায়াত ফ্রি পাবেন কর্মীরা। তবে খাবার ব্যবস্থা করতে হবে নিজেকে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ফের উন্মুক্ত হওয়ার বিষয়ে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, প্রায় চার বছর বন্ধ থাকার পর মালয়েশিয়ায় আবারও বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আমরা একটা উদাহরণ সৃষ্টি করেছি। আগে তিন লাখ, চার লাখ, পাঁচ লাখ টাকা খরচ করে মানুষ সেখানে যেতো। আমাদের ইচ্ছা ও প্রচেষ্টায় এটা কমে এসেছে।