চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সাম্প্রতিক ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে গুরুতর আহত আয়াতুল ইসলাম আয়াত চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত আয়াত হাটহাজারীর চিকনদন্ডী ইউনিয়নের খন্দকিয়া পাড়ার আব্দুর শুক্কুরের ছেলে।

গত সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগ থেকে আহত আয়াতুল ইসলাম আয়াতকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা। তার মাথায় আঘাত ছিল। মাল্টিপল ট্রমাসহ বিভিন্ন সমস্যাও ছিল তার।

আয়াত হাটহাজারীর চিকনদন্ডী ইউনিয়নের খন্দকিয়া পাড়ার আব্দুর শুক্কুরের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া মাইক্রোবাসের আরও পাঁচ যাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া ইমন নামের একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

গত ২৯ জুলাই দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরও ছয়জন।

ওই মাইক্রোবাসে ১৮ জন তরুণ-যুবক খৈয়াছড়া ঝরনা দেখে ফিরছিলেন। ফেরার পথে মাইক্রোবাসটি লেভেল ক্রসিংয়ে উঠে পড়লে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ট্রেন মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হন। হতাহতরা সবাই ‘আরঅ্যান্ড জে কোচিং সেন্টার’ নামে একটি কোচিং সেন্টারের ছাত্র-শিক্ষক।