শেষ পর্যন্ত ভেঙেই গেল চিত্রনায়িকা পরীমণি ও শরীফুল রাজের সংসার। পরীমণি রাজকে ডিভোর্স দিয়েছেন। সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পরীমণি রাজের উদ্দেশে বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠান। তার পারিবারিক একটি সূত্র খবরটি নিশ্চিত করেছে।

এদিকে এই নায়িকার আইনজীবী মো. শাহীনুজ্জামান বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে বলেন, নারী আসক্তি রয়েছে রাজের। হাতে-নাতে ধরাও পড়েছেন তিনি কয়েকবার। এসব আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে ডিভোর্স ফাইল করেছেন পরীমণি। মুসলিম আইন অনুযায়ী তিন মাস পর এই ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, রাজ-পরীর দেনমোহর ছিল ১০১ টাকা। যদি তিন মাসের মধ্যে তারা নিজেরা বসে কোনো আপস-মীমাংসা না করে, তাহলে তিন মাস শেষে এই তালাক কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রাজের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনেন পরী মণি। যদিও এই স্ট্যাটাস কিছুক্ষণ পরই মুছে ফেলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই স্ট্যাটাসে পরী লিখেছিলেন, ‘ধরেন এই কাজটা আমি যদি করতাম। একজনকে ভাই পরিচয় দিয়ে তার বাসায় যাবতীয় জিনিসপত্র নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে মাসের পর মাস পার করে দিতাম—কী বলতেন আমাকে তখন? আজ আমাকে রাজ এবং তার পাতানো বোন মিলে গায়ে হাত তুলেছে। তার জবাব মিডিয়া দিতে পারবেন তো?’

২০২২ সালের ২১ জানুয়ারি হলুদ অনুষ্ঠানের পর ২২ জানুয়ারি রাতে জমকালো আয়োজনে ১০১ টাকা দেনমোহরে শরিফুল রাজ-পরীমণির বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়। শোবিজ অঙ্গনের কয়েকজনসহ দুই পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন বিয়েতে।

গেল বছরের ১০ আগস্ট পরী ও রাজের ঘর আলো করে আসে পুত্র শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। তাকে ঘিরেই আপাতত পরীর জীবন।

এর আগে একাধিকবার বিচ্ছেদের কথা শোনা গেলেও পুনরায় তাদের মিল হতে দেখা যায়। অবশেষে বিচ্ছেদের গুঞ্জনই সত্যি হলো। ভেঙে গেল রাজ-পরীর সংসার।