নতুন বছরকে বরণ করতে রাজধানীতে সতর্ক অবস্থানে ছিলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান, বাজি পটকা এবং আতশবাজি ফাটানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) বিভাগ। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছিলো চেক পোস্ট। তল্লাশি করা হচ্ছিল যানবাহন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান বারিধারা, হাতিরঝিলে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
নিরাপত্তার খাতিরেই এমন ব্যবস্থা দেয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে, রাজধানীর বেশ কিছু স্থানে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করায়, অন্যসড়কগুলোতে গাড়ির চাপ বেড়ে যায়। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে বর্ষবরণের আয়োজনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাজধানীর অনেক এলাকাতেই বসানো হয়েছিল নিরাপত্তা বেষ্টনী। গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে মোড়ে ছিল পুলিশ চেকপোস্ট। সন্দেহভাজনদের তল্লাশিও করা হয়েছে এসকল চেকপোস্টে।
তবে এত নির্দেশনা, বাধা, তল্লাশির মাঝেও ধুমধামের সাথে আতশ ও বাজি পটকা ফাটিয়ে ইংরেজি বছরকে বরণ করে নিল রাজধানীবাসি। রাজধানীর গুলশান, শাহবাগ, পুরাণ ঢাকা, ধানমন্ডি, আগারগাও, মিরপুর, রামপুরা, বাড্ডাসহ প্রায় এলাকাতেই দেখা গেছে থার্টি-ফার্স্ট নাইটের আনন্দ উল্লাসের অংশ হিসেবে আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর দৃশ্য।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, শনিবার রাত দশটা থেকে বিভিন্ন এলাকায় আতশবাজি ফাটানো শুরু হয়। রাস্তাঘাট, অলিগলি এবং প্রধান সড়কে যুবকরা জড়ো হতে থাকে। তাদের প্রত্যেকের হাতে ছিল পটকা ও আতশবাজি। রাত ১২টা বাজার মাত্রই একযোগে আতশবাজির শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো রাজধানী। রাত প্রায় একটা পর্যন্ত চলেছে এই আতশবাজির শব্দ এবং বিকট শব্দে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে গান বাজানো।