রাত পোহালেই বহুল প্রতীক্ষিত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। নগরীর ৪৮০টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টায় নির্বাচনি প্রচারণা শেষ হয়ে যায়।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সবকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে ইভিএমে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকল কেন্দ্রে বসানো হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার সিসি ক্যামেরা। মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টির প্রার্থীসহ ৮ জন। সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে লড়বেন ৩শ ২৫ জন।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে মোট ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৪ শ ৭৬ জন। ৪শ ৮০টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে। এই নির্বাচনে মেয়র পদে ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের এডভোকেট আজমত উল্লা খান, জাতীয় পার্টির নিয়াজ উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন, জাকের পার্টি ও গণফ্রন্ট মনোনীত ৫ প্রার্থী। বাকি তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই সিটিতে ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ড হলেও একটি ওযার্ডে সাধারণ আসনে কাউন্সিলর প্রার্থী একক থাকায় সেখানে ভোট হবে না। বাকি ৫৬টি ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন ২শ ৪৬ জন। আর ৭৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে।

ভোটকেন্দ্রগুলোতে ৮ হাজারের বেশি পুলিশ ও আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। র‌্যাবের ৩০টি দল ও বিজিবি’র ২০ প্লাটুন সদস্য ভোটের দিন কাজ করবে। ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে থাকবেন। নির্বাচন কমিশন থেকে ১৫ সদস্যের পর্যবেক্ষক দল ভোট পর্যবেক্ষণ করবে।

ভোট কক্ষের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৪ হাজার ৪শ ৩৫টি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ঢাকায় নির্বাচন ভবনে বসে সিসি ক্যামেরায় ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করবে কমিশন।

ভোট নিয়ে শঙ্কা থাকলেও নাগরিকদের প্রত্যাশা নির্বাচন উৎসবমুখর হবে।

ভোটের দিন নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ট্রাক, পিকআপ, ইজিবাইক ও ইঞ্জিনচালিত নৌযান নির্বাচনের দিন চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটর সাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে ২৬শে মে মধ্যরাত পর্যন্ত।