কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ঈদ জামাতে কয়েক লাখ মুসুল্লি অংশগ্রহণ করেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, এবারও দেশ-বিদেশের ৪ লাখেরও বেশি মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।

ঈদ জামাতে ইমামতি করেন শহরের মার্কায মসজিদের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ শোয়াইব আব্দুর রউফ। সকাল ১০টায় ঈদের নামাজ শুরু হয়ে খুদবা ও মোনাজাতসহ ১০টা ২৮ মিনিটে জামাত শেষ হয়।

দীর্ঘদিন ধরে রেওয়াজ অনুযায়ী ঈদের জামাত শুরু হওয়ার ৫ মিনিট আগে ৩টি, ৩ মিনিট আগে ২টি এবং ১ মিনিট আগে ১টি করে শর্টগানের গুলি ছোঁড়া হয়। আর এই গুলিগুলো ছোঁড়েন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার।

সকাল ১০ টায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হলেও একদিন আগেই ঈদগাহে আসেন মুসল্লিরা  ঈদের দিনও বিভিন্ন বাসে করে মুসল্লিরা নামাজে অংশ নিতে ছুটে আসেন।

নামাজ শুরুর এক ঘণ্টা আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান। মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের রাস্তা, ফাঁকা জায়গা, বাড়ি, বাড়ির ছাদে মুসল্লিরা দাঁড়িয়ে পড়েন নামাজের অপেক্ষায়। বেলা ১০টার পর পরই নামাজ আদায়ের আহ্বান জানান ইমাম। শুরু হয় ঐতিহাসিক শোলাকিয়ায় উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত। নামাজ শেষে মুসল্লিদের জন্য দিক নির্দেশনামূলক খুতবা প্রদান করেন ইমাম।