বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর পরিবর্তে সাইবার নিরাপত্তা বিল, ২০২৩ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিলটি উত্থাপন করা হয়।
সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও উক্ত অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে আনীত এই বিলে ৪টি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে। এই আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ শাস্তি ১৪ বছরের কারাদ- বা এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয় দ-ের বিধান রাখঅ হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিলটি উত্থাপন করেন। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
বিলটি উত্থাপনের আপত্তি করেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য ফখরুল ইমাম। কিন্তু সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে তা নাকচ হয়ে যায়। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা করে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে সংসদে রিপোর্ট দেয়ার জন্য ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ রহিতক্রমে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন ও উক্ত অপরাধের বিচার এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে নতুনভাবে বিধান প্রণয়নকল্পে সাইবার নিরাপত্তা বিল, ২০২৩ নামে নতুন বিলটি আনা হয়েছে।