সীমান্তে মানুষ হত্যা করে ভারতের কোন লাভ হচ্ছে না, এ থেকে দেশটির বের হয়ে আসা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
সীমান্ত হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিবাদের এখনো কোন উত্তর দেয়নি দেশটি বলেও জানান তিনি। দুই দেশের স্বার্থে এটা বন্ধ হওয়া উচিত বলেও মনে করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এ কথা জানান।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত হত্যা নিয়ে এখানে একটু আলোচনা হয়েছে। এ জন্য এখানে আমি শুধু বলবো, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, এই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদেশ করেছি। আশা করবো, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না। আপনাদের (সাংবাদিক) কাছেও অনুরোধ করবো, ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, আপনারাও আমাকে সাহায্য-সহযোগিতা করবেন।
গত সপ্তাহে সীমান্তে এক কিশোরীকে বিএসএফ গুলি করে হত্যার পর আনুষ্ঠানিকভাবে কড়া প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশ। কিন্তু রোববার রাতে আরেক কিশোরকে হত্যা করে বিএসএফ।
সীমান্তে হত্যা নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ বহুদিনের। এ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক নানা বৈঠক-আলোচনা হলেও হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়নি। ২০২৩ সাল পর্যন্ত গত ৯ বছরে সীমান্তে ভারতের বিএসএফ ২৪৫ জন মানুষকে হত্যা করেছে। সীমান্ত হত্যাকাণ্ড বন্ধে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যৌথ বিবৃতি দেন।
এদিকে গত সাত সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ফেলানীর মতো হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চাই না।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সদস্যদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সীমান্তে পিঠ প্রদর্শন করবেন না। নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করুন।