হলিউড অভিনেতা ও পরিচালক জেমস কান আর নেই। গডফাদার নামে বেশ পরিচিতি গুণী এ অভিনেতা ৬ জুলাই না ফেরার দেশে চলে যান। তখন তার বয়স ছিল ৮২ বছর। অভিনেতার পরিবার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে ৭ জুলাই।

তার পরিবার টুইটারে পোস্ট শেয়ার করে বলেন, ‘আপনাদের অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জিমির চলে যাওয়ার খবর জানাচ্ছি। ৬ জুলাই সন্ধ্যায় আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন তিনি। তার প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বহিঃপ্রকাশ দেখানোর জন্য পরিবারের পক্ষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি’।

অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে হলিউডে৷ তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি।

‘দ্য গডফাদার’ সিনেমায় কানের সহ অভিনেতা আল পাচিনো বলেন, ‘জিমি আমার পর্দার ভাই আর সারা জীবনের বন্ধু। সে একজন দুর্দান্ত অভিনেতা, দারুণ পরিচালক, কাছের বন্ধু। তাকে মিস করব।’

অন্যদিকে রবার্ট ডি নিরো বলেন, ‘জিমির চলে যাওয়ার খবর শুনে খুব খুব দুঃখ পেলাম।’

অভিনেতা ৯২টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। টেলিভিশনেও অনেক কাজ রয়েছে তার৷ তবে ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা পরিচালিত ১৯৭২ সালে ‘দ্য গডফাদার’ সিরিজে সনি কোরলিওন চরিত্রটি তার সবচেয়ে আইকনিক একটি কাজ।

সত্তর দশকে ‘দ্য গডফাদার’ ও ‘ব্রেইনস সং’ মুক্তির পর হলিউডের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা ছিলেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি শুরু করেন পরিচালনাও। ‘হাইড ইন প্লেইন সাইট’ ছবিতে অভিনয় ও পরিচালনা দুই-ই করেন। এ ছাড়া ‘ফানি লেডি’, ‘দ্য কিলার এলিট’, ‘চ্যাপ্টার টু’র মতো সিনেমা নির্মাণ করেছেন এ অভিনেতা৷

আশির দশকে মাদকাসক্তি ও বোনের মৃত্যুতেনেতিবাচক প্রভাব পড়ে তার ক্যারিয়ারে। এরপর কিংবদন্তি প্রযোজক রব রেইনারই তাকে বাঁচিয়েছিলেন। তখন তিনি ‘মিজরি’ সিনেমায় পল শেলডনের ভূমিকায় অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাকে। এটি ছিল তার আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমায় প্রত্যাবর্তন।

১৯৩৯ সালের ২৬ মার্চ নিউইয়র্কে জন্ম জেমস কানের। তার চারবার বিয়ে ও বিচ্ছেদ হয়। এক মেয়ে ও চার ছেলে রয়েছে তার।