জোড়া সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৪৪৮ রানের বড় পুঁজি পেয়েছিল পাকিস্তান। তবে সেই রান পেরিয়ে সফরকারীরা বড় লিড নিয়েছে। মুশফিকুর রহিমের সর্বোচ্চ ১৯৩ এবং আরও চার ব্যাটারের হাফসেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫৬৫ রান। তবে চতুর্থ দিন শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগেই সফরকারীরা অলআউট হয়ে গেছে, তার আগে অবশ্য লিড পেয়েছে ১১৭ রানের।
শনিবার (২৪ আগস্ট) সপ্তম উইকেটে মিরাজকে নিয়ে ১৯৬ রানের জুটি গড়েন মুশফিক। চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ১৯১ রানে থামেন অভিজ্ঞ এ ব্যাটার।
১২০ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক করেন ডানহাতি এ অলরাউন্ডার। সেঞ্চুরি সম্ভাবনা জেগে ছিল তার। তবে তাকে থামতে হয় ব্যক্তিগত ৭৭ রানে। ১৭৯ বলের ইনিংসটি থেমেছে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে। এর আগে লিটনের সঙ্গে ১১৪ রানে জুটি গড়েছিলেন মুশফিক। ৫৬ রানে আউট হন লিটন।
দুজনের ব্যাটে ভর করে এগোতে থাকে বাংলাদেশ। ১৩৬তম ওভারে পাকিস্তানের দেওয়া ৪৪৮ রানের লক্ষ্য ভেদ করেন মিরাজ এবং মুশফিক। এতে লিডে পা রাখে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে ফিফটি তুলে নেন মিরাজও। অপরা প্রান্তে ডাবল সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তের পৌঁছে যান মুশফিক। কিন্তু ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ডান হাতি ব্যাটার। ৩৪১ বলে ১৯১ রান করেন তিনি।
এরপর শূন্য রানে আউট হন হাসান মাহমুদ। তবে পিচে এসে ব্যাট চালাতে থাকেন শরিফুল ইসলাম। কিন্তু অপর প্রান্তে শাহিন আফ্রিদির বলে ক্যাচ তুলে দেন মিরাজ। ১৭৯ বলে ৭৭ রানে সাজঘরে ফেরেন এই ডান হাতি ব্যাটার।
শেষ দিকে ১৪ বলে ২২ রান করে শরিফুল ইসলাম ক্যাচ আউট হলে ৫৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। এতে ১১৭ রানের লিড পায় তারা।
পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন নাসিম শাহ। এ ছাড়াও শাহিদ আফ্রিদি, খুরাম শাহজাদ এবং মোহাম্মদ আলি দুটি করে উইকেট নেন। এক উইকেট শিকার করেন সাইম আইয়ুব।
এর আগে ১২২ বলে ৫৫* রানে মুশফিক এবং লিটনের অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংসে ভর করে তৃতীয় দিন শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩১৬ রান তুলেছিল বাংলাদেশ।
উল্লেখ্য, রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাহাড় সমান ৪৪৮ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল পাকিস্তান।