ঢাকা টেস্টে শ্যলঙ্কার কাছে বড় ব্যাবধানে হারল বাংলাদেশ। সফরকারীরা ১০ ইউকেটের হারিয়েছে মমিনুলদের। পঞ্চম ও শেষ দিনের প্রথম সেশনের দাপট বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে নেই টাইগাররা। বিরতির পর দ্বিতীয় সেশনে ফিরে টালমাটাল স্বাগতিকদের ব্যাটিং বিভাগ। ৮ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ২০ রান তুলতেই বাকি ৫ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়ে গেছে অধিনায়ক মুমিনুল হকের দল। এতে লঙ্কানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৯ রানের। যা খুব সহজেই তুলে নেয় শীলঙ্কান দুই ওপেনার।
ঢাকা টেস্ট শুরুর আগে সিরিজ জয়ের সুযোগের কথা জানিয়েছিলেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। কিন্ত সেই স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। এর আগে মুশফিকুর রহিম-লিটন দাস কোনোমতে দিন শেষ করেছিলেন। পঞ্চম দিন শুরুতে মুশফিক ফিরলে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের হাফ সেঞ্চুরিতে ড্রয়ের স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ। দুজনের দিনের প্রথম সেশন কাটিয়ে দিলেও দ্বিতীয় সেশনে আর পারেননি।
বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারে লিটন ফেরার তাসের ঘরের মতে ভেঙে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। সাকিব ৫৮ ও লিটন ৫২ রান করেন। মুশফিক ২৩ ও মাহমুদুল হাসান জয় করেন ১৫ রান। এ ছাড়া দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারেননি কোনো ব্যাটসম্যান। আসিথা ফার্নান্দো একাই নেন ৬ উইকেট।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ৩৬৫ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা ৫০৬ রান করে। বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটসম্যাদের ব্যর্থতায় দুইশ রানও পার হতে পারেনি।
শের-ই-বাংলায় এখন পর্যন্ত ২৩টি টেস্ট ম্যাচ খেলা হয়েছে। তাতে প্রতিপক্ষ দল জিতেছে ১৩ বার, বাংলাদেশ জিতেছে ৬ বার, ড্র হয়েছে ৩ বার আর ১টি ম্যাচ বাতিল হয়েছে। সবশেষ ড্র হয়েছে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ। তবে এই মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩টি ম্যাচ খেলে একটিতেও জয় পায়নি বাংলাদেশ। এবারও তাই হতে হলো।