লালমনিরহাটে হরতাল চলাকালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত চার জন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নে এ সংঘর্ষ ঘটে। পরে দুপুর দেড়টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কর্মী মারা যান।

তার নাম জাহাঙ্গীর হোসেন (৪৫)। তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুলে ইউনিয়নের বেলপাড়া এলাকার আজিজের রহমানের ছেলে ও গোকুণ্ডা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক কমিটির সদস্য ছিলেন।

গোকুণ্ডা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি আনিচ উদ্দিন বলেন, ‘নিহত জাহাঙ্গীর গোকুণ্ডা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য ছিলেন।’

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংঘর্ষে আহত একজন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন বলেন খবর শুনেছি। তবে এ বিষয় থানায় আমাদের কেউ অভিযোগ দেয়নি।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থণে বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগ শান্তি মিছিল বের করে। এ সময় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। তখন জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বেশ কয়েকজন লাঠি ও অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক আহত হন। পরে জাহাঙ্গীরসহ তিনজনকে আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহাঙ্গীর মারা যান।

লালমনিরহাট পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম তপন জানান, আওয়ামী লীগের শান্তি মিছিলে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী আহত হন। আহত জাহাঙ্গীরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে মারা যান।